‘দেশ সেবার এক মহান দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ বাহিনী। অন্য বাহিনীর চেয়ে
অনেক পরিশ্রমী আর দেশের জন্য এরাই সবচেয়ে বেশি কাজ করে। তবে এদেশে অসৎ
পুলিশের সংখ্যা কম নয়। সারাদেশে এমন ঘটনা অনেক আছে যেখানে পুলিশ আপনার,
আমার, জনগণের অনেক ক্ষতিসাধন করে। অবৈধ টাকার জন্য অনেক কিছুই করে।’বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব কথা বলেছেন ইন্টারন্যাশনাল
হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল
আলম (সাগর)।তিনি বলেন, ‘কোন পুলিশ যদি অসৎ উদ্দেশে কাউকে ধরে তা হলে নিচের
পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করবেন। প্রয়োজনে পুলিশি হয়রানির শিকার হলে কোথাও না গিয়ে
সরাসরি আদালতে চলে যান। আইনানুযায়ী মামলা করে দেন। মামলা করার ফলে বরখাস্ত
হবে অপরাধী পুলিশ। তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেবে
আদালত।’তিনি আরও বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তাই পুলিশকে ভয় পাওয়ার কোন কারণ
নেই। যেকোন ভাবেই যে কেউ বিনা অপরাধে অসৎ পুলিশের খপ্পরে পড়তে পারে।
বিষয়টিকে সতর্কতার সাথে পরিচালনা করার মাধ্যমে অসৎ পুলিশের বিরুদ্ধে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সহযোগিতায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান
তিনি।
অসৎ পুলিশের বিরুদ্ধে করণীয় পদক্ষেপসমূহ-
১. ইউনিফর্ম পড়া পুলিশ হলে প্রথমেই বুকে থাকা নামটি দেখে নিন। (সিভিল হলে তার নাম, র্যাংক, থানা বা কোন ইউনিট ইত্যাদি জেনে নিন)।
২. পুলিশের কয়েকজন বড় কর্মকর্তার নাম মুখস্থ করে রাখুন (ঐ এলাকার এসি,
এডিসি ক্রাইম, ডিসি/এএসপি সার্কেল, এ্যাডিশনাল এসপি, এসপি)। আইজিপি হলে হবে
না। কেননা, সবাই জানে তার নাম। পুলিশ ধরলেই জানিয়ে দিন ঐ পুলিশকে যে,
‘আমাকে বিনা কারণে কিছু করলে আমি ঐ অফিসারের কাছে আপনার/আপনাদের বিরুদ্ধে
অভিযোগ করব। লিখিত অভিযোগ।’ মৌখিকের চেয়ে লিখিত কাজ হয় ভাল। মৌখিক কথার
অ্যাকশন হলো কিনা আপনি জানতে পারবেন না। তবে ইন্সট্যান্ট কাজ হবে।
৩. একান্তই কখনও কোন পুলিশের পাল্লায় পড়ে টাকা খোয়ালে সংশ্লিষ্ট
এলাকার ডিসি (জেলা শহর হলে এসপি) বরাবর অভিযোগ দাখিল করুন। আইজিপি এবং
কমিশনার অফিসেও প্রেরণ করতে পারেন। একটা লিখে তার ফটোকপি পাঠান এসব জায়গায়।
৪. আপনি মেট্টোপলিটনের আওতাভুক্ত হলে সকল ডিসির নাম্বার সংরক্ষণ করুণ।
মেট্টোপলিটনের বাইরে হলে এসপির নাম্বার সংরক্ষণ করুণ। নাম্বারের জন্য
বাংলাদেশ পুলিশ এ্যাপসটি অবশ্যই আপনার ফোনে ডাইনলোড করে নিবেন। প্রয়োজনে
এসপি বা ডিসিকে সরাসরি ফোন করুণ।
৫. আপনি যদি অপরাধ না করেন, পুলিশ কর্তৃক যে কোন প্রকার নির্যাতনের স্বীকার হলে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সাংবাদিকদের জানান।
৬. অপরাধ প্রবণ পুলিশদের মনোবল সব সময় কম থাকে, তাই আপনি যদি তাদের ঠিক
ভাবে ম্যানেজ করতে পারেন, তারা আপনার সাথে কঠোর হওয়ার সাহস পাবে না।
৭. আপনি নিজে যদি অপরাধী না হন, কোন ভাবেই পুলিশের জেরাতে ভয় পাবেন না।
যা সত্যি তাই খোলা-মেলা ভাবে বলুন। কখনও মিথ্যার আশ্রয় নিবেন না।
স্মার্টলি হ্যান্ডেল করুন।
৮. সবচেয়ে বড় কথা আইনের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধাশীল থাকুন এবং নিজের উপর
আস্থা রাখুন। পুলিশ দেখে কখনও ভয় পাবেন না। কেননা, পুলিশ রয়েছে আপনাকে
রক্ষা করতে, আপনার ক্ষতি করতে নয়।
৯. পুলিশ ফোনে টাকা চাইলে সাথে সাথে রেকর্ড করতে করতে তার সাথে
স্বাভাবিকভাবেই কথা বলতে থাকুন, কত টাকা, কিভাবে দিতে হবে, কখন নেবেন,
আপনার নাম কি, কোন থানা বা ফাঁড়ি, মামলা বা অভিযোগ কার বিরুদ্ধে, কে করেছে
ইত্যাদি কথার মধ্যে সংযুক্ত রাখুন। ব্যস, এটা অভিযোগের সাথে জমা দিন ঐ
এলাকার এসি, এডিসি ক্রাইম, ডিসি, কমিশনার অথবা এএসপি সার্কেল, এ্যাডিশনাল
এসপি, এসপি বরাবর।
১০. জায়গা-জমি সংক্রান্ত কোন কিছুই পুলিশের করার কোন আইনগত অধিকার নেই
(শুধু কোর্টের আদেশ পালন করতে পারবে)। তবে যদি কোন জায়গা নিয়ে শান্তি
ভঙ্গের আশংকা দেখা দেয় তাহলে তারা একটি হুঁশিয়ারি নোটিশ জারি করতে পারে,
থানায় আপনার জমির কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত হতে বলতে পারে (তার সাধ্য নেই কোন
রায় দেয়ার। জায়গা-জমি সম্পূর্ণ দেওয়ানি আদালতের বিষয়। পুলিশ শুধু ফৌজদারি
বিষয় নিয়ে কাজ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত)। সুতরাং আপনার জায়গা নিয়ে কিছু করতে
গেলে স্মার্টলি তার সাথে তার এখতিয়ার নিয়ে কথা বলুন। কোর্টের কাগজ আছে কিনা
জানতে চান।
স্পেশাল স্টেপ
পুলিশ আপনার সাথে অবৈধ কিছু করলে জেলায় এসপি আর মেট্রোতে ঔ এলাকার
ডিসিকে ফোন করার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করুন (ফোন করতেও পারেন ইন্সট্যান্ট
ঘটনার সময়), লিখিত অভিযোগ এক কপি কমিশনারের কাছে পাঠান। একটা অভিযোগ
সিকিউরিটি সেল, পুলিশ হেডকোয়ার্টার, ফুলবাড়িয়া, ঢাকা বরাবর ঔ অফিসারের
বিরুদ্ধে পাঠান।
জিডি করতে গেলে অনেকেই বলতে পারেন ‘ভাই খরচ পাতি দেন’। এক টাকাও দেবেন
না। পারলে ফোনের রেকর্ডার চালু করে কথা বলুন, খরচ পাতির কথা কথা বললে তাকে
শুনিয়ে দিন যে তার কথা আপনার কাছে রেকর্ড করা হয়েছে এবং আপনি উপরে উল্লেখিত
ব্যক্তিদের কাছে অভিযোগ করবেন।
জিডি/অভিযোগ/মামলা কোনটা করতেই কোন টাকা লাগে না। আসল কথা হলো পুলিশের
সাথে জনগণের আইনের কোথাও কোন টাকার লেনদেনের কথা নেই। পুলিশের সাথে টাকা
লেনদেনটাই অবৈধ। শেষ কথা, সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকুন। আইন জানুন।
Human Rights & Crime Control Affairs Mass Media Society (Gov.Reg.No.S-11137)
Wednesday, February 24, 2016
Thursday, February 18, 2016
বাড়িওয়ালাদের অতিরিক্ত বাড়ি ভাড়া আদায়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে :মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর) ।
ইন্টারন্যাশনাল
হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান
মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন,বাড়িওয়ালাদের অতিরিক্ত বাড়ি ভাড়া আদায়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সকল
বাড়িওয়ালাদেরকে তিনি ভাড়াটিয়াদের প্রতি সহনীয় পর্যায়ে ভাড়া আদায় করার আহবান জানান ।বাড়ী ভাড়া নিয়ন্ত্রণের জন্য অধিকতর সুষ্ঠু বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত
আইন (২) ধারা ২৩, ২৪, ২৫, ২৬ এবং ২৭ দোসরা জানুয়ারী, ১৯৯১ ইং তারিখে
কার্যকর হয়েছে। কিন্তু কতজন মালিকের পক্ষে এই আইন মেনে চলার বিধান রাখছেন ।
বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থাকার সত্যেও ভাড়াটিয়া কোনো সুযোগই যেন পাচ্ছে না
বাড়ির মালিকদের কাছ থেকে, ভাড়া নেয়া হচ্ছে বাড়ির মালিকদের খেয়াল খুশি মতো।তিনি বলেন আমাদের মৌলিক অধিকার গুলোর মধ্যে বাসস্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার ।
কিন্তু কিছু ব্যক্তি এই অধিকারটা নিয়ে এমন ভাবে ব্যবসা শুরু করেছে যেখানে
পরিবার সহ একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করায় দুরুহু হয়ে পরেছে।ইন্টারন্যাশনাল
হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান
মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন,নাগরিকদের
জীবনধারণে অন্যান্য মৌলিক উপকরণের মতো আবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণের
জীবনযাত্রার মান উন্নত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। যে কারণে আবাসন
ব্যবস্থাকে একটি অনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় ছেড়ে না দিয়ে রাষ্ট্রীয়
নিয়ন্ত্রণমূলক আইনি ব্যবস্থায় নেয়া প্রয়োজন। বাড়ি
ভাড়া নিয়ে বাড়িওয়ালাদের স্বেচ্ছাচারিতা মূলত ঢাকায় বেশি। ঢাকায়
বাড়িওয়ালাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ভাড়ার রশিদ না দেয়া, ইচ্ছেমতো
ভাড়া বৃদ্ধি, জোর করে ভাড়াটিয়া উচ্ছেদসহ নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে।তিনি আরও বলেন অগ্রিম ভাড়া, বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ কাজের খরচ,
ইউটিলিটি বিল নেয়ার ক্ষেত্রেও আইন-কানুনের তোয়াক্কা করছেন না বাড়ির
মালিকরা।বাড়িভাড়া এখন লাভজনক বড় ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। ভাড়া নেয়া
হচ্ছে বাড়ির মালিকদের খেয়াল খুশি মতো। ভাড়াটিয়াদের আয়ের বড় অংশটি চলে
যাচ্ছে বাড়িভাড়ায়।ভাড়ার রসিদ ও বাড়ি ছাড়ার জন্য নোটিশের কথা
বলা হয়েছে আইনে।তিনি বলেন, ভাড়াটিয়া যদি নিয়মিতভাবে ভাড়া পরিশোধ
করতে থাকেন এবং বাড়ি ভাড়ার শর্ত মেনে চলেন তাহলে যতদিন ভাড়াটিয়া চাইবেন
ততদিন থাকবেন, তাকে উচ্ছেদ করা যাবে না। এমনকি বাড়ির মালিক পরিবর্তিত হলেও
ভাড়াটিয়া যদি আইনসম্মত ভাড়া প্রদানে রাজি থাকেন, তবে তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ
করা যাবে না। আইন অনুযায়ী, ভাড়ার আগে দু’পক্ষের মধ্যে লিখিত চুক্তি থাকতে
হবে।
বাংলাদেশের জনগণ মানবাধিকার সম্পর্কে এখনও সচেতন নয়:মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)
বাংলাদেশের অনেক জনগণ মানবাধিকার সম্পর্কে এখনও সচেতন নয় বিধায় তারা
নানাভাবে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল
হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান
মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) ।তিনি বলেন মানবাধিকার মানুষের জন্মগত মৌলিক অধিকার|এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সকল মানুষকে তিনি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান ।তিনি আরও বলেন মানবতার পরিপূর্ণ বিকাশে
মানবাধিকারের গুরুত্ব অপরিসীম। এ অধিকার রক্ষায় সংবিধানে মৌলিক অধিকার
সন্নিবেশিত হয়েছে। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও
চিকিৎসার অধিকার মানুষের জন্মগত অধিকার। এ অধিকার নিশ্চিত করতে পারলেই
মানবাধিকার নিশ্চিত হবে। দেশের মানবাধিকার রক্ষায় নিয়োজিত সংগঠনসমূহ
মানবাধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সমাজ
এবং রাষ্ট্রের কল্যাণের লক্ষ্যে আমাদের সকলকে কাজ করে যেতে হবে।তিনি বলেন মানবাধিকার রক্ষায় সকলকে প্রতিবাদী হতে হবে।আমদের সবাইকে ঐক্যবদ্য হয়ে এগিয়ে আসা সহ মানবাধিকার লঙ্ঘন জনিত ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।ইন্টারন্যাশনাল
হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান
মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন নিজের অধিকার সম্পর্কে সকলকে ভালভাবে জানতে হবে।আমাদেরকে না জানার অজ্ঞতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।যাতে অধিকার সম্পর্কে না জানার অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কোন সুবিধাবাদীরা মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করতে পারে।সে ব্যাপারে আমাদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।
Tuesday, February 2, 2016
শিক্ষা-খাত যাতে বাণিজ্য-খাতে না পরিনিত হয়: মোঃ আশরাফুল আলম সাগর
ইন্টারন্যাশনাল
হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান
মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন,শিক্ষা-খাত যাতে বাণিজ্য-খাতে না পরিনিত হয় সে
বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।তিনি বলেন আমাদের দেশে অনেকেরই একটি ভুল ধারনা
রয়েছে।অনেকেই শিক্ষাকে মৌলিক অধিকারের একটি বলে উল্লেখ করে থাকেন।অথচ এটি
সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারনা।জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র, ১৯৪৮-এর
অনুচ্ছেদ ২৬ অনুসারে শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার হলেও বাংলাদেশ সংবিধানে
এটিকে 'মৌলিক অধিকার' হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি।অথচ শিক্ষা একটি জাতির
উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধান উপাদান।কিন্তু স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত
হওয়ার পরও আমাদের সংবিধানে শিক্ষাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া
হয়নি। সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য শিক্ষাকে মৌলিক
নীতিমালা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে (অনুচ্ছেদ ১৫ ও ১৭)। তবে দ্বিতীয় ভাগে
উল্লেখিত অনুচ্ছেদগুলো সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার দিকনির্দেশনা দেয় মাত্র।
এগুলো মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত নয়।তিনি আরও বলেন শিক্ষার্থীদের কথা
না ভেবে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষাখাতকে
বাণিজ্যে পরিণত করেছে। শিক্ষাদানের সুযোগে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা
এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যাপক পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে
নিচ্ছে।এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কখনোই শিক্ষার্থীদের স্বার্থ দেখে না। এরা
আসলে শিক্ষা খাতকে বাণিজ্যে পরিণত করেছে।নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে
অনুমোদন বিহীন ভবন-কাম্পাস বাড়িয়ে চলছে।এতে শিক্ষার্থীদের শুধু মাত্র
পুঁথিগত বিদ্যা দান করায় তারা ভালো রেজাল্ট করতে পারে ঠিকি কিন্তু ভালো
মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনা। আতিরিক্ত অর্থ আদায় সহ একাধিক অভিযোগে
অভিযুক্ত এধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি।ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানরাইটস এন্ড
ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান
মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন, এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের মালিকরা টাকাকেই প্রধান
টার্গেট করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যায়।তিনি বলেন,আমরা এসব শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ শিক্ষা
মন্ত্রী নুরুল নাহিদ কে জানিয়েছি।অভিযোগগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলির
মধ্যে ছিল শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়,নিয়মবহির্ভূত ভাবে
ভবন-কাম্পাস-শাখা বৃদ্ধি।তিনি বলেন,শিক্ষা মন্ত্রী আমদেরকে আশস্থ করেছেন
খুব শিগ্রি এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।এসময় শিক্ষা
মন্ত্রী নুরুল নাহিদ এর সাথে একান্ত
কথোপকথনের সময়ে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান
মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)দেশের শীর্ষ স্থানীয় কয়েকটি বাণিজ্যিক মনোভাব
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উথাপন করেন।
Friday, January 29, 2016
রাজনৈতিক চক্রে ধ্বংস হচ্ছে শিশুদের মানবাধিকার মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর)
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে শিশুদের ব্যবহার নতুন কিছু নয়। কিন্তু একদিকে হাতে বোমা তুলে দিয়ে তাদের মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত করা হচ্ছে। অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বয়স বাড়িয়ে বড় অপরাধীদের সঙ্গে রাখছে শিশুদের। এতে শিশুরা অপরাধ করে সংশোধনের সুযোগ তো পাচ্ছেই না, বরং জেল থেকে অপরাধী হয়ে বের হচ্ছে।বাংলাদেশে শিশুদের নিয়ে ছোট-বড় ৩৫টি আইন আছে। কিন্তু এর একটি বা দু'টির বেশি মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা জানেন না। আসলে এখন যে অবস্থা, তাতে শিশুদের নিয়ে বড় মুভমেন্ট দরকার। কারণ আমাদের দেশের আইন অনুযায়ী শিশুদের দেখার দায়িত্ব নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের। কিন্তু এই মন্ত্রণালয়ে শিশুদের কোনো ‘ডেস্ক'-ই নেই। সারাদেশে নারী বিষয়টি দেখার জন্য কর্মকর্তা থাকলেও শিশুদের দেখার জন্য কোনো কর্মকর্তা নেই।এর জন্য তো লোকবোল থাকতে হবে? ২০১৩ সালের ১৬ই জুন জাতীয় সংসদে শিশু বিল-২০১৩ পাস হয়। এই বিলে বলা আছে কোনো ব্যক্তি যদি শিশুকে সন্ত্রাসী কাজে নিয়োজিত করেন, তবে তার বিচার হবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। এ ধরনের অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এ আইনে বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা বা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার জন্য জনসাধারণ বা জনসাধারণের কোনো অংশের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করাকে সন্ত্রাসী কাজ আখ্যায়িত করা হয়েছে। এই আইন পাসের পরেও কিন্তু থেমে নেই সন্ত্রাসী কাজে শিশুদের ব্যবহার। সাধারণ মানুষের দাবি, হরতাল-অবরোধের মতো বিভিন্ন কর্মসূচিতে আর যেন কোনো শিশু চোখ না হারায়, আর যেন কোনো শিশুর হাত উড়ে না যায়। সবারই সন্তান আছে, অন্তত নিজের সন্তান মনে করে এই শিশুদের রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার।আলোচনা-সমালোচনা যাই হোক শিশুদের মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে এটাই তো আসল কথা। আসলে দীর্ঘদিন ধরে যে প্রবণতা চলে আসছে, আমরা তা থেকে বের হতে পারিনি। বয়স বাড়িয়ে মামলার আসামী করা, বয়স বাড়িয়ে শিশুদের বিয়ে দেয়া- সবই কিন্তু অপরাধ। আমাদের সমাজে এই অপরাধগুলো হরহামেশাই হয়ে যাচ্ছে। আমাদের সবার পরিবারে শিশু আছে। তাই আমাদের সবাইকে শিশুদের রাজনীতিতে ব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। বর্তমান অবস্থা যদি চলতে থাকে তাহলে জাতির জন্য ভবিষ্যতে ভয়ংকর দিন অপেক্ষা করছে। তখন শত চেষ্টা করেও আর পরিত্রাণ মিলবে না।
Monday, January 25, 2016
প্রতিটি রাষ্ট্রের তিন ধরনের দায়িত্ব-মানবাধিকারকে সম্মান করা/রক্ষা করা/পূরণ করা:মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর)।
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোটার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন প্রতিটি রাষ্ট্রের তিন ধরনের দায়িত্ব রয়েছে-মানবাধিকারকে সম্মান করা,রক্ষা করা এবং পূরণ করা ।তিনি আরও বলেন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ফলে অনেকে হয়রানির শিকার হচ্ছেন, প্রতারিত হচ্ছেন, অত্যাচারিত হচ্ছেন।অথচ মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে প্র্রতিটি রাষ্ট্রের তিন ধরনের দায়িত্ব রয়েছে ১। মানবাধিকারকে সম্মান করা, ২। মানবাধিকারকে রক্ষা করা এবং ৩। মানবাধিকারকে পূরণ করা । কিন্তু আজ মানবাধিকার পৃথিবীর দুষ্ট রাজনৈতিক দুষ্টু চক্রে আটকা পড়েছে। মানবাধিকার এখন সুবিধাবাদীদের কাছে একটি হাতিয়ার। মানবাধিকারের নাম করে মানুষকে শোষণ করছে। বর্তমান পৃথিবীতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে হার, তা যেকোনো যুগ ও কালের চেয়ে অধিক। দুর্বল মানুষ সবলের হাতে, দুর্বল গোষ্ঠী সবল গোষ্ঠীর হাতে, দুর্বল জাতি শক্তিধর জাতির দ্বারা আজ নানাভাবে নির্যাতিত হচ্ছে এবং পৃথিবীর সর্বত্র আজ শিশু, নারী, দরিদ্র, মেহনতি মানুষ, কৃষ্ণগাত্র ও নিম্নবর্ণীয় লোকেরা অধিকারবঞ্চিত, নিগৃহীত ও মানবিক মৌলিক সুযোগ-সুবিধা ও বেঁচে থাকার ন্যূনতম অধিকার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। আসুন সকলে মানবাধিকার সমুন্নত রাখার উদ্দেশ্যে মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হই।মনে রাখতে হবে, প্রতিটি নাগরিকের প্রতি অপরের শ্রদ্ধাবোধ মানবাধিকার চর্চার অন্যতম সহজ পদ্ধতি।এই মানবাধিকার কার্যক্রমে কেউ কারোর প্রতিপক্ষ নয়, ন্যায় সঙ্গত, ন্যায্য চিন্তা, সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং জনকল্যাণ মূলক কাজ করাই হোক আমাদের মূল উদ্দেশ্য ।
Sunday, January 24, 2016
Saturday, January 23, 2016
পুলিশের ঘুষ নিয়োগ বাণিজ্যই অসৎ পুলিশ হওয়ার কারন:মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর)
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোটার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন সারাদেশে এমন অনেক ঘটনা আছে যেখানে পুলিশ সাধারন জনগনের অনেক ক্ষতিসাধন করে। টাকার জন্য তারা অনেক কিছু করে বসে। তিনি আরও বলেন এদেশে যেমন ভাল ,সৎ পুলিশ আছে তেমনি পাল্লা দিয়ে অসৎ পুলিশের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। এজন্য তিনি অনেকটা দায়ী করেছেন পুলিশের ঘুষ নিয়োগ বাণিজ্যকে। কারন চাকুরী নিয়োগের শুরু থেকেই নিয়োগ প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য ঘুষ বিনিময়ের সাথে জড়িয়ে পড়ে।তিনি বলেন অনেক পুলিশ সদস্য তাদের পৈতৃক শেষ সম্পদ পর্যন্ত বিক্রি করা সহ অনেক কষ্টে ধারদেনা করে ঘুষের টাকা যোগার করে চাকুরী নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রদান করে।পরবর্তীতে ওই পুলিশ সদস্য সাধারনতভাবে নিয়োগের শুরুতে তার দেওয়া ঘুষের টাকা নিয়োগ পাওয়ার পরে ওঠাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে যার প্রভাব পড়ে সাধারণ জনগণের উপর।তার দেওয়া ঘুষের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে সে মহিয়া হয়ে ওঠে। আর তখনি ঘটে সকল বিপত্তি। অবৈধ টাকার জন্য তারা অনেক কিছু করে বসে।এমনকি অনেক পুলিশ সদস্য তাদের অপকর্মের জন্য রীতিমতো গণমাধ্যমে আলোচিত হয়ে উঠে।কিন্তু আসল কথা হলো পুলিশের সাথে জনগনের আইনের কোথাও কোন টাকার লেনদেনের কথা নেই। পুলিশের সাথে টাকা লেনদেনটাই অবৈধ। একটি পয়সাও না।কিন্তু বিষয়টি যেন এখন পুরোই উলটো টাকা না দেওয়াটায় যেন এখন অবৈধ। যাইহোক সরকারের উচিত সংশ্লিষ্ট বিভাগটিকে আরও স্বয়ংপূর্ণ ভাবে ঢেলে সাজানো। আমরা আশা করবো কিছু সংখ্যক খারাপ পুলিশ সদস্যর জন্য পুরো পুলিশ বাহিনীকে দোষারোপ না করে অসৎ পুলিশদের সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অবগত করে সাহায্য করা।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকুন। আইন জানুন।
Thursday, January 21, 2016
এখন ৫ বছরের বাচ্চাও জানে ধর্ষণ কি?:মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর)
Sunday, January 17, 2016
পুলিশ বনাম মানবাধিকার লঙ্ঘন:মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)
মানবাধিকার লংঘনের অনেকটা অভিযোগই পুলিশের বিরুদ্ধে। আর এসব ঘটনার তদন্ত ভার পুলিশের হাতে থাকায় ভুক্তভোগীরা ন্যায় বিচার পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোটার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।পুলিশের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভূরি ভূরি অভিযোগ থাকলেও জনমনে আস্থা সৃষ্টি করে এমন প্রতিকার বা ন্যায়বিচারের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তেমন দৃষ্টান্ত বিরল। গণমাধ্যমে কোনো ঘটনা নিয়ে হইচই হলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে বড়জোর প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।এর থেকে বেশি কিছু করা হয় না।আসলে প্রত্যাহার মানে তাদেরকে অনেকটা সুকৌশলে বাঁচিয়ে নেওয়া।কিন্তু ঠিকি পরে তাঁদের আবার স্বাভাবিক নিয়মে বদলি করা হয়। লজ্জার বিষয় হলেও এটাই সত্য যে বিষয়টি এখন অনেকটা নোংরামিতে পরিণত হয়েছে।এটা নিন্দনীয় যে নির্যাতন বা ক্রসফায়ারে দেওয়ার বৈধতা দেওয়া হচ্ছে। অথচ যন্ত্রণা ও অমানবিক আচরণ বাংলাদেশের সর্বচ্চো আইন সংবিধান নিষিদ্ধ করেছে।আমরা আশা করবো বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের এমন কার্যকলাপ পরিহার করে অচিরেই তাদের নিজেদের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে নিজেরাই সচেষ্ট হবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)









