Saturday, July 2, 2016

গুলশানে নির্মম নৃশংসতা:ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির নিন্দা

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় গুলশানে একটি রেস্টুরেন্টে হামলায় নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)|রবিবার (৩ জুলাই) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
“ঢাকার গুলশানে জিম্মি ব্যক্তিদের উপর নির্মম নৃশংসতায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।”
“নিহতদের জন্য আত্মার শান্তি কামনাসহ এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।”
আশরাফুল আলম বলেন,,”এসময়ে আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।যাতে পরবর্তীতে এধরনের অনাকাঙ্ঘিত ঘটনার সম্মুখীন আমাদের আর না হতে হয়।”
উল্লেখ্য,শুক্রবার রাত নয়টার দিকে গুলশানের হলে আর্টিজান রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলায় পুলিশের দুইজন শীর্ষ কর্মকর্তা, ৬ হামলাকরীসহ কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হন।

Tuesday, June 28, 2016

শিশু রহিতের উপর পুলিশ কর্মকর্তার অমানবিক নির্যাতনে মানবাধিকার লঙ্ঘন:মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)

"শিশু রহিতের বুকে বুট জুতা দিয়ে পাড়িয়ে অমানবিক নির্যাতনে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন" হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)|মঙ্গলবার (২৮ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন,“শিশু রহিতকে ৮ জুন রাতে যশোর কোতয়ালী থানায় রেখে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, তা অন্ধকার যুগকেও হার মানিয়েছে।আর তাকে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে তা মানবাধিকারের চরম লংঘন। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রচণ্ড ক্ষোভ জানান।”
আশরাফুল আলম আরো বলেন, “দশম শ্রেণি পড়ুয়া শিশু রহিতের উপর নির্যাতনের দৃশ্যই বলে দেয় মানবাধিকারের প্রশ্নে বাংলাদেশের এখনও অনেকটা পথ হাঁটা বাকি। আজও নির্যাতিত মানুষের বুক ফাটা আর্তনাদে সভ্য সমাজ কেঁপে ওঠে । নির্বিশেষে অনেকে এখনও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে । কখনো পাশবিক নির্যাতন আবার কখনো মানসিক । মোটকথা কোন না কোনভাবে যেন নির্যাতিত হতেই হচ্ছে।”
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) আরো বলেন, “সভ্যতা ও মানবাধিকার রক্ষার যুগে শিশু নির্যাতন যে কত নির্মম অসভ্যতা এবং মানবাধিকারের লংঘন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যে পুলিশ এই ন্যাকারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে অচিরেই তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।অন্যথায় এতে পুলিশের ভাবমূর্তি খুন্ন হচ্ছে।”


 
"৮ জুন রাতে যশোর কোতয়ালী থানায় রেখে রোহিতের ওপর চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন। পুলিশি নির্যাতনের চিহ্ন তার সারা শরীরে।রোহিতের মা জুলি বেগম বলেন, এসআই বিপ্লব আমার ছেলে রোহিতকে যেদিন ধরে থানায় নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালান, সেদিন সে রোজা ছিল। কিন্তু নির্দয় পুলিশের তাতেও মন গলেনি। রোহিতকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে পুলিশ মোটা টাকা ঘুষ দাবি করে। পরের দিন ৯ জুন ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ায় রোহিতকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।যার অডিও রেকর্ডিং তাদের কাছে আছে।"
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান আরো বলেন, “শিশু নির্যাতনে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। শুধু আইন ও নীতিমালাই যথেষ্ট নয়, শিশু নির্যাতন রোধে প্রয়োজন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। আর এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনসহ সমাজ সচেতনতা তৈরিতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।”

Sunday, June 19, 2016

সন্তানের প্রতি লঙ্ঘিত মানবাধিকার রক্ষার আহ্বান:মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)

অনেক বাবা-মা সন্তানদের শাসনের নামে যে নির্যাতন করছে তা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। সন্তানদের মানসিক অবস্থা নিয়ে ভাববার সময় নেই অনেক বাবা-মায়ের, বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল আলম সাগর। আজ রোববার, ১৯ জুন সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, বাবা-মা দ্বারা অসংখ্য শিশু নির্যাতনের ঘটনা আসছে আমদের কাছে। শারীরিক ও মানসিক দু'ভাবেই শিশুকে নির্যাতন করা হচ্ছে। এমনকি কিছু কিছু শিশু নির্যাতনের ঘটনা রীতিমতো গণমাধ্যমেও আলোচিত হচ্ছে। যা সারা দেশব্যাপী অনেক সময় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় সৃষ্টি করছে।

মানবাধিকার সংগঠক আশরাফুল আলম বলেন, ইদানীং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিশু নির্যাতনের একটি নতুন ধাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভর্তিপরীক্ষা ও তার প্রস্তুতি শিশু নির্যাতনের অত্যাধুনিক অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। শিশুদের বিভিন্ন শ্রেণীর পাঠ্যক্রম শিশুদের জন্য এক দুঃসহ কর্মতালিকা। শিশুকে ঘিরে মা-বাবার যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা, তাতে রসদ জোগাচ্ছে। শিশুদের যেনো ভালো রেজাল্ট করতেই হবে, এই নিয়ে চলে শিশুদের ওপর প্রচণ্ড মানসিক চাপ, এমনকি শারীরিক নির্যাতন। এক কথায় বলা যায়, বর্তমানে শিশুদের ওপর শিক্ষার নামে চলছে নীরব নির্যাতন।

তিনি বলেন, বাবা-মায়েরা উচ্চাকাঙ্ক্ষী মনোভাব পোষন করে একটি শিশুকে যেভাবে শাসন করছে, তাতে শিশুটির যে অপূরণীয় ক্ষতি করছেন, তা অনুধাবণ করতে পারছেন না। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে, শিশুর মানসিক অবস্থা নিয়ে ভাববার সময়ও যেন বাবা-মা'র নেই। চোখ তাদের এতটাই সামনের দিকে যে, নিজের পায়ে হোঁচট খাওয়ার মতো কোনো কিছু রাস্তায় পড়ে আছে কি না, তার দেখার মতো সময় তাদের নেই।

বাবা-মায়েরা সন্তানদের শাসনের নামে যে নির্যাতন করছে, তা বন্ধে সচেতনতাসহ একযোগে সকলকে কাজ করার আহ্বান জানালেন, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল আলম সাগর।

Saturday, June 11, 2016

ঘুষ প্রতিরোধে ঘুষ নিয়োগ বাণিজ্য সর্বপ্রথম বন্ধ করতে হবে:মোঃ আশরাফুল আলম সাগর

“ঘুষ প্রতিরোধে ঘুষ নিয়োগ বাণিজ্য সর্বপ্রথম বন্ধ করতে হবে” বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)|শনিবার (৪ জুন) সকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।”

তিনি বলেন,“ এদেশে ঘুষ নিয়োগ বাণিজ্য এখন ওপেন সিক্রেট (গোপন বলে ভাবা হলেও আসলে যা সকলেরই জানা) একটি বিষয়।নিয়োগকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন পদ অনুযায়ী ঘুষের অংকের পরিমাণ নির্ধারণ করা।ফলে ঘটতে থাকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা”

মানবাধিকার সংগঠক আশরাফুল আলম বলেন,“এই ঘুষ নিয়োগ বাণিজ্যের জন্য অনেক যোগ্য ব্যাক্তিরা চাকুরী থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।ফলে অযোগ্য ব্যাক্তিরা এদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ঘুষের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়ে যাচ্ছে।”

তিনি বলেন,“চাকুরী নিয়োগের শুরু থেকেই নিয়োগ প্রাপ্ত ব্যাক্তি ঘুষ বিনিময়ের সাথে জড়িয়ে পড়েন।অনেক ব্যাক্তি তাদের পৈতৃক শেষ সম্পদ পর্যন্ত বিক্রি করা সহ অনেক কষ্টে ধারদেনা করে ঘুষের টাকা জোগাড় করে চাকুরী নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রদান করে।পরবর্তীতে ওই ব্যাক্তি সাধারনতভাবে নিয়োগের শুরুতে তার দেওয়া ঘুষের টাকা নিয়োগ পাওয়ার পরে ওঠাতে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে।”

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃআশরাফুল আলম (সাগর) বলেন,“ ফলে যার প্রভাব পড়ে সাধারণ জনগণের উপর।তার দেওয়া ঘুষের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে সে মহিয়া হয়ে ওঠে। আর তখনি ঘটে সকল বিপত্তি। অবৈধ টাকার জন্য তারা অনেক কিছু করে বসে।এমনকি অনেক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যাক্তি তাদের অপকর্মের জন্য রীতিমতো গণমাধ্যমেও আলোচিত হয়ে উঠে।

মানবাধিকার সংগঠক আশরাফুল আলম বলেন,“আসল কথা হলো নিয়োগের ক্ষেত্রে জনগনের কোথাও কোন টাকার লেনদেনের কথা নেই। নিয়োগের ক্ষেত্রে টাকা লেনদেনটাই অবৈধ। একটি পয়সাও না।কিন্তু বিষয়টি যেন এখন পুরোই উল্টো টাকা না দেওয়াটায় যেন এখন অবৈধ।”

“এসময়ে, এদেশে জনগনের মধ্যে দেশপ্রেম-ভালোবাসা সমৃদ্ধ জীবন গড়ে তুলতে হলে অবশ্যই ঘুষ নিয়োগ বাণিজ্য নামের ওপেন সিক্রেট বিষয়টিকে চিরতরে অপসারণ করার কথা বললেন,ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।”

Wednesday, June 1, 2016

যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে সেখানেই প্রতিবাদ:মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)

মানুষের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসাই পরিপূর্ণ মানবাধিকার নিশ্চিত করতে পারে বলে জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম (সাগর) |
তিনি বলেন, মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের ৩০টি অনুচ্ছেদে মানুষের প্রতি মানুষের সহমর্মিতা, মানুষের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার ঘোষণা রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ কথা বলেন।
মানবাধিকার সংগঠক আশরাফুল আলম বলেন, বিশ্বের প্রায় সব দেশে মানবাধিকারকে আইন দ্বারা স্বীকৃতি দান করা হলেও বর্তমান বিশ্বে সম্পদ ও মতকে কেন্দ্র করে ব্যাপক হারে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। এ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা কখনো রাজনৈতিক, কখনো সাম্প্রদায়িক, কখনো গোষ্ঠী অথবা ব্যক্তিকেন্দ্রিক ঘটছে।
তিনি বলেন, যদি আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের দায়িত্বের প্রতি সচেতন হই, তবেই তৈরি হবে একটি সুষম বিশ্ব। যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে সেখানেই আমাদের প্রতিবাদী হয়ে উঠতে হবে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী ‘মানবাধিকার’ সম্পর্কে অবগত নন। অধিকাংশ লোক ‘মানবাধিকার’ সম্পর্কে শুনেছেন, তবে এর ব্যাখ্যা জানেন না। সিংহভাগ লোক জানেন না যে মানবাধিকার আইন দ্বারা সুরক্ষিত। খুবই সামান্যসংখ্যক মানুষ জানেন, মানবাধিকারের বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত।
এ সময়ে, সুখী-সমৃদ্ধ-শান্তিকামী সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সবার আগে মানবাধিকার নিশ্চিত  করার প্রতি আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান আশরাফুল আলম (সাগর)।

Wednesday, May 18, 2016

ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সকলকে আন্তরিক হতে হবে: মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)


“দেশে ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন থাকলেও এর তেমন কোন বাস্তবায়ন নেই” বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)|সোমবার (১৬ ই মে) সকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন,“ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের উৎপাদন, ব্যবহার, ক্রয়-বিক্রয় ও বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ সালে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে অধিকতর ফলপ্রসূ করতে পরিবর্তন আনেন। কিন্তু গৃহীত পদক্ষেপ ও আইনের সব বিষয় বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। ফলে দিন দিন ধূমপায়ীর সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে।”
মানবাধিকার সংগঠক আশরাফুল আলম বলেন, “এ দেশে জনসমক্ষে ধূমপান নিষিদ্ধ করে জরিমানার বিধান করা হলেও আইনের বাস্তবায়ন তেমন একটা দেখা যায় না। সরকারী অফিস,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আদালত, থানা এমনকি হাসপাতাল থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে এই আইনের লঙ্ঘন হচ্ছে। এমনকি আইন কার্যকরের দায়িত্ব যাঁদের ওপর, সেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও কখনো কখনো কর্তব্যরত অবস্থায় জনসমক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায়। ফলে দিনে দিনে ধূমপায়ীদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে।”
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন, “ধূমপানের ক্ষতিকর দিক নিয়ে প্রচারণাও অনেক কম দেখা যায়। ধূমপান প্রতিরোধ করতে হবে। তামাক উত্পাদন বন্ধেও আরও শক্ত আইন ও এর বাস্তবায়ন খুব জরুরি। সেই সঙ্গে তামাকজাত পণ্যের করের হার আরও বৃদ্ধি করতে হবে। এতে সরকার অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করবে এবং ধূমপায়ীরা ধূমপান অনেকাংশে ছেড়ে দেবে।”
“এসময়ে, ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সকলের সজাগ দৃষ্টি ও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান,ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।”

Tuesday, April 26, 2016

খাদ্য ভেজালের মহা উৎসবে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন:মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)

“খাদ্যে ভেজাল মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল” বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)|বুধবার সকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন,“খাদ্য বাংলাদেশের নাগরিকদের অন্যতম মৌলিক অধিকার। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে না পারলে জনগণের খাদ্য অধিকার লঙ্ঘিত হয়। যার ফলে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়।

আশরাফুল আলম আরো বলেন, “মানুষের মোলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্য একটি প্রধান ও অন্যতম মৌলিক চাহিদা।সুস্বাস্থ্যের  জন্য প্রতিটি মানুষের  প্রয়োজন ভেজাল মুক্ত খাদ্য গ্রহন। কিন্তু বাংলাদেশে ভেজাল মুক্ত খাবার পাওয়া কঠিন করে ফেলেছে কিছু বিবেকহীন অধিক মুনাফালোভী ব্যাক্তিবর্গ।
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন, “বিশুদ্ধ খাবারকে প্রতিনিয়ত বিষে পরিণত করে ফেলা হচ্ছে। শাকসবজি, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে ফলমূল এমনকি শিশুখাদ্য ও ঔষধে ভেজাল ও রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
,
তিনি বলেন,“বাংলাদেশে ভেজালের যে মহা উৎসব চলছে তাতে সবাই কমবেশী আক্রান্ত।খাদ্যে ভেজালের কারণেই দেশে বিভিন্ন রকমের ক্যানসার, লিভার সিরোসিস, কিডনি ফেলিউর, হৃদযন্ত্রের অসুখ, হাঁপানি এগুলো অনেক বেড়ে যাচেছ।
 
"ভেজাল পণ্য উৎপাদন কারী ব্যাক্তি বা প্রতিষ্টানের বিরুদ্বে কঠোর আইন প্রয়োগ করে আইনের বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান,ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।"

তিনি বলেন, "শুধু সরকারের একার পক্ষে এটির প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। ভেজাল বিরোধী সামাজিক আন্দোলন যেমন দরকার তেমনি দরকার সরকারের আরও কঠিন নীতির বাস্তবায়ন।" 

Saturday, April 16, 2016

হাতিয়ায় নারী নির্যাতন:ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির নিন্দা

“শাহানারাকে মাটিতে ফেলে নির্মম ভাবে পেটানোয় মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন” হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।শনিবার সকালে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এসময়ে তিনি শাহানারাকে নির্যাতনে তীব্র প্রতিবাদ জানান।

তিনি বলেন,“ প্রকাশ্যে একজন নারীকে রাস্তার উপর যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, তা অন্ধকার যুগকেও হার মানিয়েছে।যেভাবে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে তা মানবাধিকারের চরম লংঘন। আর এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তিনি ক্ষোভ জানান।”

আশরাফুল আলম আরো বলেন, “নির্যাতনের দৃশ্যই বলে দেয় মানবাধিকারের প্রশ্নে বাংলাদেশের এখনও অনেকটা পথ হাঁটা বাকি। আজও নির্যাতিত নারীদের বুক ফাটা আর্তনাদে সভ্য সমাজ কেঁপে ওঠে । শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে অনেক নারী এখনও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে । কখনো পাশবিক নির্যাতন আবার কখনো মানসিক । মোটকথা কোন না কোনভাবে নারীকে যেন নির্যাতিত হতেই হচ্ছে।”

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) আরো বলেন, “সভ্যতা ও মানবাধিকার রক্ষার যুগে নারী নির্যাতন যে কত নির্মম অসভ্যতা এবং মানবাধিকারের লংঘন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।”

“চাঁদা না দেয়ায় তিরিশোর্ধ এক নারীকে পেটাল শাহজাহান নামের এক ব্যক্তি! স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্যের মীমাংসা করে দেয়ার বিনিময়ে টাকা দাবি করেছিল শাহজাহান নামের ওই ব্যক্তি। বিচারপ্রার্থী শাহানারা বেগম (৩২) সেই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত সোমবার রাস্তায় একা পেয়ে বেদম প্রহার করে সে। এতে শাহানারার শরীরে অনেক স্থান ফেটে রক্ত বেরিয়ে যায়।ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হাতিয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে।”

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান আরো বলেন, “নারীর প্রতি সহিংসতায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। শুধু আইন ও নীতিমালাই যথেষ্ট নয়, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে প্রয়োজন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। আর এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনসহ সমাজ সচেতনতা তৈরিতে নারী-পুরুষ সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।”

Sunday, April 10, 2016

শিক্ষার বাণিজ্যকরণে মানবাধিকার লঙ্ঘিত :মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)

“শিক্ষার বাণিজ্যকরণে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে” বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।রবিবার সকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন,“ শিক্ষার্থীদের কথা না ভেবে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষাখাতকে বাণিজ্যে পরিণত করেছে।  শিক্ষাদানের সুযোগে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যাপক পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কখনোই শিক্ষার্থীদের স্বার্থ দেখে না। এরা আসলে শিক্ষা খাতকে বাণিজ্যে পরিণত করেছে। যা মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে।”

আশরাফুল আলম আরো বলেন, “নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অনুমোদনবিহীন ভবন-কাম্পাস বাড়িয়ে চলছে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যা দান করায় তারা ভালো রেজাল্ট করতে পারে ঠিক, কিন্তু ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনা। আতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত এ ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি।”

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) আরো বলেন, “এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের মালিকরা টাকাকেই প্রধান টার্গেট করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যায়।”
তিনি বলেন,“আমরা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ শিক্ষা মন্ত্রনালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী এবং সচিবকে জানিয়েছি। অভিযোগগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলির ছিল, শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, নিয়মবহির্ভূত ভাবে ভবন-কাম্পাস-শাখা বৃদ্ধি। তিনি বলেন, তারা আমদেরকে আশস্থ করেছেন খুব শিগ্রি এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহন করা হবে।”

এসময় শিক্ষা বিষয়ে একান্ত কথোপকথনের সময়ে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) দেশের শীর্ষ স্থানীয় কয়েকটি বাণিজ্যিক মনোভাব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উথাপন করেন।

Monday, April 4, 2016

বাংলাদেশে নির্বাচনী সহিংসতায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা,লঙ্ঘিত মানবাধিকার:মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর)

জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল আলম সাগর। সোমবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি একথা জানান।

তিনি বলেন, “নির্বাচনী সহিংসতায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে। ঝরে গেছে অনেক তাজা প্রাণ। নির্বাচনে লাশের পরে লাশ পড়েছে। মৃত ব্যক্তির পরিবারে কান্নার রোল পড়ে গেছে। যা চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে।”

আশরাফুল আলম আরো বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত মৃত্যের সংখ্যা ৩৮। এর মধ্যে শিশু থেকে শুরু করে রয়েছে মহিলা, নির্বাচনের প্রার্থী, এজেন্ট, কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সহিংসতায় মারা গেছে শিশু সাহিদুল ইসলাম শুভসহ অন্তত ১১ জন।”

তিনি বলেন, “এর আগে তফসিল ঘোষণার পর থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মারা গেছে আরো ২৭ জন। এর মধ্যে ২২ মার্চ প্রথম দফা নির্বাচনের দিনই সহিংসতায় প্রাণহানি ঘটে ১২ জনের। প্রথম দফায় ৩৬ জেলার সাতশো ১২টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে মাত্র চার জেলায় সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। বাকি ৩২ জেলাতেই সহিংসতার ঘটনা ঘটে।”

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান আরো বলেন, “বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। নির্বাচনী সহিংসতায় বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড মেনে নেয়া মানে মানবাধিকার লঙ্ঘনকে প্রশ্রয় দেয়া। এর দায়-দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপর বর্তায়।”

মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও সহিংসতা বন্ধ করতে সরকারকে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসাথে কাজ করতে তিনি আহ্বান জানান।