Wednesday, June 1, 2016

যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে সেখানেই প্রতিবাদ:মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)

মানুষের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসাই পরিপূর্ণ মানবাধিকার নিশ্চিত করতে পারে বলে জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম (সাগর) |
তিনি বলেন, মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের ৩০টি অনুচ্ছেদে মানুষের প্রতি মানুষের সহমর্মিতা, মানুষের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার ঘোষণা রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ কথা বলেন।
মানবাধিকার সংগঠক আশরাফুল আলম বলেন, বিশ্বের প্রায় সব দেশে মানবাধিকারকে আইন দ্বারা স্বীকৃতি দান করা হলেও বর্তমান বিশ্বে সম্পদ ও মতকে কেন্দ্র করে ব্যাপক হারে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। এ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা কখনো রাজনৈতিক, কখনো সাম্প্রদায়িক, কখনো গোষ্ঠী অথবা ব্যক্তিকেন্দ্রিক ঘটছে।
তিনি বলেন, যদি আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের দায়িত্বের প্রতি সচেতন হই, তবেই তৈরি হবে একটি সুষম বিশ্ব। যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে সেখানেই আমাদের প্রতিবাদী হয়ে উঠতে হবে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী ‘মানবাধিকার’ সম্পর্কে অবগত নন। অধিকাংশ লোক ‘মানবাধিকার’ সম্পর্কে শুনেছেন, তবে এর ব্যাখ্যা জানেন না। সিংহভাগ লোক জানেন না যে মানবাধিকার আইন দ্বারা সুরক্ষিত। খুবই সামান্যসংখ্যক মানুষ জানেন, মানবাধিকারের বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত।
এ সময়ে, সুখী-সমৃদ্ধ-শান্তিকামী সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সবার আগে মানবাধিকার নিশ্চিত  করার প্রতি আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান আশরাফুল আলম (সাগর)।

Wednesday, May 18, 2016

ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সকলকে আন্তরিক হতে হবে: মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)


“দেশে ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন থাকলেও এর তেমন কোন বাস্তবায়ন নেই” বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)|সোমবার (১৬ ই মে) সকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন,“ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের উৎপাদন, ব্যবহার, ক্রয়-বিক্রয় ও বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ সালে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে অধিকতর ফলপ্রসূ করতে পরিবর্তন আনেন। কিন্তু গৃহীত পদক্ষেপ ও আইনের সব বিষয় বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। ফলে দিন দিন ধূমপায়ীর সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে।”
মানবাধিকার সংগঠক আশরাফুল আলম বলেন, “এ দেশে জনসমক্ষে ধূমপান নিষিদ্ধ করে জরিমানার বিধান করা হলেও আইনের বাস্তবায়ন তেমন একটা দেখা যায় না। সরকারী অফিস,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আদালত, থানা এমনকি হাসপাতাল থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে এই আইনের লঙ্ঘন হচ্ছে। এমনকি আইন কার্যকরের দায়িত্ব যাঁদের ওপর, সেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও কখনো কখনো কর্তব্যরত অবস্থায় জনসমক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায়। ফলে দিনে দিনে ধূমপায়ীদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে।”
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন, “ধূমপানের ক্ষতিকর দিক নিয়ে প্রচারণাও অনেক কম দেখা যায়। ধূমপান প্রতিরোধ করতে হবে। তামাক উত্পাদন বন্ধেও আরও শক্ত আইন ও এর বাস্তবায়ন খুব জরুরি। সেই সঙ্গে তামাকজাত পণ্যের করের হার আরও বৃদ্ধি করতে হবে। এতে সরকার অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করবে এবং ধূমপায়ীরা ধূমপান অনেকাংশে ছেড়ে দেবে।”
“এসময়ে, ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সকলের সজাগ দৃষ্টি ও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান,ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।”

Tuesday, April 26, 2016

খাদ্য ভেজালের মহা উৎসবে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন:মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)

“খাদ্যে ভেজাল মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল” বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)|বুধবার সকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন,“খাদ্য বাংলাদেশের নাগরিকদের অন্যতম মৌলিক অধিকার। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে না পারলে জনগণের খাদ্য অধিকার লঙ্ঘিত হয়। যার ফলে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়।

আশরাফুল আলম আরো বলেন, “মানুষের মোলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্য একটি প্রধান ও অন্যতম মৌলিক চাহিদা।সুস্বাস্থ্যের  জন্য প্রতিটি মানুষের  প্রয়োজন ভেজাল মুক্ত খাদ্য গ্রহন। কিন্তু বাংলাদেশে ভেজাল মুক্ত খাবার পাওয়া কঠিন করে ফেলেছে কিছু বিবেকহীন অধিক মুনাফালোভী ব্যাক্তিবর্গ।
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন, “বিশুদ্ধ খাবারকে প্রতিনিয়ত বিষে পরিণত করে ফেলা হচ্ছে। শাকসবজি, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে ফলমূল এমনকি শিশুখাদ্য ও ঔষধে ভেজাল ও রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
,
তিনি বলেন,“বাংলাদেশে ভেজালের যে মহা উৎসব চলছে তাতে সবাই কমবেশী আক্রান্ত।খাদ্যে ভেজালের কারণেই দেশে বিভিন্ন রকমের ক্যানসার, লিভার সিরোসিস, কিডনি ফেলিউর, হৃদযন্ত্রের অসুখ, হাঁপানি এগুলো অনেক বেড়ে যাচেছ।
 
"ভেজাল পণ্য উৎপাদন কারী ব্যাক্তি বা প্রতিষ্টানের বিরুদ্বে কঠোর আইন প্রয়োগ করে আইনের বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান,ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।"

তিনি বলেন, "শুধু সরকারের একার পক্ষে এটির প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। ভেজাল বিরোধী সামাজিক আন্দোলন যেমন দরকার তেমনি দরকার সরকারের আরও কঠিন নীতির বাস্তবায়ন।" 

Saturday, April 16, 2016

হাতিয়ায় নারী নির্যাতন:ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির নিন্দা

“শাহানারাকে মাটিতে ফেলে নির্মম ভাবে পেটানোয় মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন” হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।শনিবার সকালে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এসময়ে তিনি শাহানারাকে নির্যাতনে তীব্র প্রতিবাদ জানান।

তিনি বলেন,“ প্রকাশ্যে একজন নারীকে রাস্তার উপর যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, তা অন্ধকার যুগকেও হার মানিয়েছে।যেভাবে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে তা মানবাধিকারের চরম লংঘন। আর এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তিনি ক্ষোভ জানান।”

আশরাফুল আলম আরো বলেন, “নির্যাতনের দৃশ্যই বলে দেয় মানবাধিকারের প্রশ্নে বাংলাদেশের এখনও অনেকটা পথ হাঁটা বাকি। আজও নির্যাতিত নারীদের বুক ফাটা আর্তনাদে সভ্য সমাজ কেঁপে ওঠে । শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে অনেক নারী এখনও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে । কখনো পাশবিক নির্যাতন আবার কখনো মানসিক । মোটকথা কোন না কোনভাবে নারীকে যেন নির্যাতিত হতেই হচ্ছে।”

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) আরো বলেন, “সভ্যতা ও মানবাধিকার রক্ষার যুগে নারী নির্যাতন যে কত নির্মম অসভ্যতা এবং মানবাধিকারের লংঘন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।”

“চাঁদা না দেয়ায় তিরিশোর্ধ এক নারীকে পেটাল শাহজাহান নামের এক ব্যক্তি! স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্যের মীমাংসা করে দেয়ার বিনিময়ে টাকা দাবি করেছিল শাহজাহান নামের ওই ব্যক্তি। বিচারপ্রার্থী শাহানারা বেগম (৩২) সেই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত সোমবার রাস্তায় একা পেয়ে বেদম প্রহার করে সে। এতে শাহানারার শরীরে অনেক স্থান ফেটে রক্ত বেরিয়ে যায়।ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হাতিয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে।”

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান আরো বলেন, “নারীর প্রতি সহিংসতায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। শুধু আইন ও নীতিমালাই যথেষ্ট নয়, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে প্রয়োজন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। আর এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনসহ সমাজ সচেতনতা তৈরিতে নারী-পুরুষ সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।”

Sunday, April 10, 2016

শিক্ষার বাণিজ্যকরণে মানবাধিকার লঙ্ঘিত :মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)

“শিক্ষার বাণিজ্যকরণে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে” বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর)।রবিবার সকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন,“ শিক্ষার্থীদের কথা না ভেবে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষাখাতকে বাণিজ্যে পরিণত করেছে।  শিক্ষাদানের সুযোগে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যাপক পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কখনোই শিক্ষার্থীদের স্বার্থ দেখে না। এরা আসলে শিক্ষা খাতকে বাণিজ্যে পরিণত করেছে। যা মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে।”

আশরাফুল আলম আরো বলেন, “নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অনুমোদনবিহীন ভবন-কাম্পাস বাড়িয়ে চলছে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যা দান করায় তারা ভালো রেজাল্ট করতে পারে ঠিক, কিন্তু ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনা। আতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত এ ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি।”

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) আরো বলেন, “এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের মালিকরা টাকাকেই প্রধান টার্গেট করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যায়।”
তিনি বলেন,“আমরা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ শিক্ষা মন্ত্রনালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী এবং সচিবকে জানিয়েছি। অভিযোগগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলির ছিল, শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, নিয়মবহির্ভূত ভাবে ভবন-কাম্পাস-শাখা বৃদ্ধি। তিনি বলেন, তারা আমদেরকে আশস্থ করেছেন খুব শিগ্রি এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহন করা হবে।”

এসময় শিক্ষা বিষয়ে একান্ত কথোপকথনের সময়ে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) দেশের শীর্ষ স্থানীয় কয়েকটি বাণিজ্যিক মনোভাব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উথাপন করেন।

Monday, April 4, 2016

বাংলাদেশে নির্বাচনী সহিংসতায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা,লঙ্ঘিত মানবাধিকার:মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর)

জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল আলম সাগর। সোমবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি একথা জানান।

তিনি বলেন, “নির্বাচনী সহিংসতায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে। ঝরে গেছে অনেক তাজা প্রাণ। নির্বাচনে লাশের পরে লাশ পড়েছে। মৃত ব্যক্তির পরিবারে কান্নার রোল পড়ে গেছে। যা চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে।”

আশরাফুল আলম আরো বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত মৃত্যের সংখ্যা ৩৮। এর মধ্যে শিশু থেকে শুরু করে রয়েছে মহিলা, নির্বাচনের প্রার্থী, এজেন্ট, কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সহিংসতায় মারা গেছে শিশু সাহিদুল ইসলাম শুভসহ অন্তত ১১ জন।”

তিনি বলেন, “এর আগে তফসিল ঘোষণার পর থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মারা গেছে আরো ২৭ জন। এর মধ্যে ২২ মার্চ প্রথম দফা নির্বাচনের দিনই সহিংসতায় প্রাণহানি ঘটে ১২ জনের। প্রথম দফায় ৩৬ জেলার সাতশো ১২টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে মাত্র চার জেলায় সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। বাকি ৩২ জেলাতেই সহিংসতার ঘটনা ঘটে।”

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান আরো বলেন, “বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। নির্বাচনী সহিংসতায় বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড মেনে নেয়া মানে মানবাধিকার লঙ্ঘনকে প্রশ্রয় দেয়া। এর দায়-দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপর বর্তায়।”

মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও সহিংসতা বন্ধ করতে সরকারকে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসাথে কাজ করতে তিনি আহ্বান জানান।

Saturday, March 26, 2016

বাংলাদেশে ধর্ষণ দূরারোগ্য ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে:আশরাফুল আলম (সাগর)



বাংলাদেশে ধর্ষণ একটি দূরারোগ্য ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) ।সোমবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।আশরাফুল আলম বলেন বাংলাদেশের নাগরিকরা এখন ধর্ষণকে দেশটির একটি বড় সমস্যা বলে মনে করছেন। তিনি বলেন, এদেশে ধর্ষণের পরিমান পূর্বের চেয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধর্ষকরা এখন শুধুমাত্র ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হচ্ছেনা।ধর্ষণের পর হত্যার হলি খেলায় মেতে উঠেছে ধর্ষক নামের নরপশুরা।জীবন কেড়ে নিচ্ছে অনায়াসে।অথচ এক একটি জীবনের পিছনে কতো যে চোখের পানি, কতো যে আশা-সপ্ন থাকে সেটি কি জানে একজন ধর্ষক? ধর্ষণ একটি গুরুতর অপরাধ। আর অপরাধ এক আদিম অসুখ। একে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা সম্ভব নয়, তবে প্রতিরোধ করা সম্ভব। আর তাই একজন ধর্ষকের বিচার শুধুমাত্র মূল লক্ষ্য হতে পারেনা, লক্ষ্য হতে পারে ধর্ষকহীন একটি জাতি গড়া। দেশ গড়ার জন্য প্রয়োজন সচেতন সু-শিক্ষিত একটি জাতির, যারা জীবন ও জীবনের মূল্যবোধ সম্পর্কে জানবে।তবেই এর প্রতিরোধ করা সম্ভব। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর) বলেন ধর্ষণের মত স্পর্শ কাতর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ না হতে হয়।এদেশে অনেক সময় ধর্ষণের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে।এককথায় এদেশের নারীরা এখন নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।তাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব এদেশের সকল নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মানবাধিকারের সুরক্ষা বজায় রাখা।

Wednesday, March 23, 2016

মানবাধিকারের প্রশ্নে বাংলাদেশের এখনও অনেকটা পথ হাঁটা বাকি:মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর)

মানবাধিকারের প্রশ্নে বাংলাদেশের এখনও অনেকটা পথ হাঁটা বাকি বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর) ।
বুধবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আশরাফুল আলম বলেন মানবাধিকার বরাবরই শাসকের প্রতিপক্ষ হিসেবে কাজ করে থাকে।এতগুলো বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও এদেশে মানবাধিকারের পরিপূর্ণতা এখনো আসেনি।
মানবাধিকার বিষয়টি এখনও এদেশে  মূলত এককেন্দ্রিক ভাবে আঁটকে আছে।যার ব্যাপকতা খুব ছোট পরিসরে রয়ে গেছে।তিনি বলেন,মানবাধিকারের ছোঁয়া এখনো আমাদের দেশে অনেক জায়গায় পৌঁছায়নি।গ্রাম-অঞ্চল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় বসবাসরত অনেকেই এখনো নিজের অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞ।
রাজনীতিবিদ, পুলিশ এবং সমাজবিরোধীদের দ্বারাই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন মানবাধিকারের নীতিমালা সব দেশের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে।বাংলাদেশ জাতিসংঘের অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
সেই হিসেবে জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ।
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর) বলেন মানবাধিকারের আলো সর্বত্ব ছড়িয়ে পড়লেই মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের সুরক্ষা করা সম্ভব
জনগণও ভোগ করতে পারবে তাদের অধিকার।তাই মানবাধিকারের আলোর ছোঁয়া সর্বত্ব পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা এবং ব্যক্তির মৌলিক ও মানবাধিকার ভোগের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে।

Tuesday, March 15, 2016

সবার অধিকার নিয়ে কথা বলা মানবাধিকার কর্মীদের প্রধান দায়িত্ব:মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর)

সবার অধিকার নিয়ে কথা বলাই মানবাধিকার কর্মীদের প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম (সাগর)।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।। আশরাফুল আলম বলেন কোন ইন্দনে যেন মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রভাহিত হয়ে তাদের সঠিক দায়িত্ব থেকে যেন সরে না দাড়ায়।সবার হয়ে সত্যিকারের মানবাধিকারের কথা বলবে মানবাধিকার কর্মীরা।

তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার কর্মীদের অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়।এ জন্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে আরও শক্তিশালী অর্থাৎ প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি অর্জন করার আহ্বান জানান তিনি। মানবাধিকার কর্মীদের মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের কথা তুলে ধরে মানবাধিকার সুরক্ষায় কাজ করতে হবে।


আশরাফুল আলম সাগর বলেন, মানবতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনই হচ্ছে মানবাধিকার ঘোষণার মূল মন্ত্র। মানবাধিকার রক্ষার দ্বায়িত্ব শুধু সরকারের নয়। সমাজের প্রতিটি বিভাগে প্রত্যেকটি মানুষের রয়েছে দ্বায়িত্ব, তার অধিকার বুঝে নেয়ার।একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজের অধিকার বুঝে নেওয়া দ্বায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সবসময় প্রতিটি স্থানে মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে ।

মানুষকে বেঁচে থাকতে হবে তার নিজের বাঁচার অধিকার নিয়ে। সকল মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার করার মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন, দেশের মানবাধিকার রক্ষায় নিয়োজিত মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে মানবাধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। সমাজ এবং রাষ্ট্রের কল্যাণের লক্ষ্যে সকল মানবাধিকার কর্মীদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি ।

Friday, March 11, 2016

সরকারি- বেসরকারি অনেক হাসপাতালে চলছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা:মোঃ আশরাফুল আলম(সাগর)

ন্টারন্যাশনাল হিউম্যানরাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম (সাগর) বলেন,সরকারি - বেসরকারি অনেক হাসপাতালে সেবার নামে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব কথা বলেছেন তিনি। আশরাফুল আলম বলেন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার পরিবর্তে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছেন অনেক চিকিৎসকেরা। রোগীদের সঙ্গে চিকিৎসাসেবার পরিবর্তে দুর্ব্যবহার করছেন তাঁরা।সরকারি হাসপাতাল গুলোতে ঠিকমত কোনো চিকিৎসককে পাওয়া যায় না। তাঁরা বিভিন্ন ক্লিনিক ও চেম্বার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সাময়িক সময়ের জন্য ‘রাউন্ড’-এর নামে এলেও রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।তিনি আরও বলেন দুঃখজনক হলেও এখনো সত্য সরকারি অনেক হাসপাতালের দেয়ালে এখনো কান পাতলে শোনা যায় চিকিৎসার অভাবে হাসপাতালে পরে থাকা অসহায় রোগীদের আত্মচিৎকার।তিনি বলেন বাংলাদেশের অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালের বেহাল অবস্থার সুযোগ নিয়ে যেখানে সেখানে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অবৈধ প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এ ক্লিনিকগুলোর অধিকাংশই হাতুড়ে ডাক্তারের কারখানা এবং প্রতিষ্ঠানের কোনো অনুমোদন নেই। অনভিজ্ঞ নার্স, টেকনিশিয়ান ও কথিত ডিগ্রিধারী ডাক্তারদের দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। কিন্তু চিকিত্সার নামে তারা আদায় করে নিচ্ছে গলাকাটা ফি। রোগীরা প্রতারিত হচ্ছে এবং অনেক রোগী সুষ্ঠু চিকিত্সার অভাবে মারা যাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, এ সব অবৈধ প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার দ্রুত উচ্ছেদের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সঙ্গে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে করে আর কেউ এমন ঘৃণিত অপরাধ না করতে পারে। সরকার ও প্রশাসনকে এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।তিনি বলেন মানুষ অসুস্থ হলে হাসপাতালে আসে। কিন্তু হাসপাতাল নিজেই যদি অসুস্থ থাকে, তখন তাকে চিকিৎসা সেবা দেবে কে? অনেক হাসপাতাল তো এখন নিজেই অসুস্থ।সরকারী হাসপাতালে রোগীর জন্য সরকারি কিছু ঔষধ থাকলেও এখন তার দেখাই মিলেনা। এখন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলেই প্রথমে নার্স এসেই বলে এই ঔষধ গুলো নিয়ে আসেন এখানে এই ঔষধগুলো নেই। আর এভাবেই শুরু হয় চিকিৎসা। অসহায় রোগীদেরকে হাসপাতালের যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হয়। অতিরিক্ত অর্থ দিলেই মেলে রোগী রাখার একটি বেড ।তারপর প্রতি পরতে পরতে চিকিৎসার জন্য ব্যয় করতে হয় অতিরিক্ত টাকা। সরকারি হাসপাতালে আনাগোনা করে অনেক দালালরা।তারাই এসব টাকা লেনদেন করে চিকিৎসা প্রত্যাশীদের সাথে। নির্দিষ্ট সময়ের পর পর একজন নার্স তার দায়িত্বে থাকা রোগীকে দেখা শোনা করবে। কিন্তু বিষয়টি অনেকাংশে সরকারি নিয়মেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে বাস্তবে নয়। অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে তাদের পরিচিত মহলের সহযোগিতায় চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকেন । আর যাদের কেউ নেই তাদের দেখার কেউ নেই।অবহেলায় পরে থাকতে দেখা যায় অসংখ্য রোগীকে।